Thursday, September 3, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির বিস্তারিত পাবেন এখানে

আবেদন গ্রহণ শুরু ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

Reading Time: 2 minutes

🎓 শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তিতে নীতিমালা প্রকাশ করেছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ প্রকাশিত এই ভর্তি নীতিমালায় একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিতে আবেদন, ফল প্রকাশ, ভর্তি ও ক্লাস শুরুর সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। আবেদন গ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হবে আগামী ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬। আবেদন করা যাবে ১০ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত । একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬।

ভর্তির জন্য কোনো বাছাই বা ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে না। শুধু শিক্ষার্থীর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে। আজ সোমবার (২৪ আগস্ট ২০২৬) শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ নীতিমালা প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আসনের ৭ শতাংশ কোটায় রাখা হয়েছে। কলেজগুলোর মোট আসনের বাকি ৯৩ শতাংশ সবার জন্য মেধার ভিত্তিতে উন্মুক্ত থাকবে।

সময়সূচি ⬇️

২ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর: ভর্তি-সংক্রান্ত পুনর্নিরীক্ষণ বা পুনর্মূল্যায়নের ফল পাওয়া শিক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন।
১২ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত: পুনর্নিরীক্ষণসহ পুনর্মূল্যায়নে ফল পরিবর্তিত শিক্ষার্থীদের আবেদন গ্রহণ করা হবে।
১২ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত: পছন্দক্রম পরিবর্তনের সুযোগ।
১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা: নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ ।
১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত: ফল প্রকাশের পর নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চায়ন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চায়ন না করলে নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হবে।
২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর: একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম।
২৩ সেপ্টেম্বর: একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু।

নীতিমালা অনুযায়ী সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৯৩ শতাংশ আসন মেধার ভিত্তিতে সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এসব আসনে এসএসসি ও সমমানের ফলের ভিত্তিতে মেধাক্রম তৈরি করে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। অবশিষ্ট ৭ শতাংশ আসনের মধ্যে ৫ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যাদের জন্য এবং ২ শতাংশ শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য সংরক্ষণের প্রস্তাব করা হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ভর্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্র বা গেজেটের সত্যায়িত কপি দিতে হবে এবং ভর্তির সময় মূল কপি দেখাতে হবে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে ইস্যু করা মুক্তিযোদ্ধা সনদ যথাযথভাবে যাচাই করে ভর্তি সম্পন্ন করা হবে। মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যা পাওয়া না গেলে সংশ্লিষ্ট আসন খালি রাখা যাবে না। মেধাতালিকা থেকে ওই আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি করতে হবে।

জিপিএ সমান হলে মেধাক্রম নির্ধারণ যেভাবে
সমান জিপিএ প্রাপ্তদের ক্ষেত্রে সর্বমোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে। বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এর ক্ষেত্রে গ্রেড পয়েন্ট ও প্রাপ্ত নম্বর সমতুল্য করে হিসাব করতে হবে। তাছাড়া বিভিন্ন সালের গ্রেড পয়েন্ট ও প্রাপ্ত নম্বর সমতুল্য করে হিসাব করতে হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles