Friday, May 22, 2026
spot_imgspot_img

Top 5 This Week

spot_img

Related Posts

মানচিত্রকে যে কারণে এটলাস বলা হয়

Reading Time: 2 minutes

যে বইয়ে অনেকগুলো মানচিত্র থাকে সেটিকে বলা হয় এটলাস। বিভিন্ন ধরনের মানচিত্রের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন রকম এটলাস হয়ে থাকে। একটি এটলাসে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, মহাদেশের আলাদা আলাদা মানচিত্র ছাড়াও থাকে ওই দেশ ও মহাদেশগুলো সম্পর্কে নানা রকম জানা-অজানা তথ্য বিশেষ করে পরিসংখ্যান যেমন: আয়তন, জনসংখ্যা, অর্থনীতি, প্রাকৃতিক সম্পদ ইত্যাদি।

যদিও মানুষ হাজার হাজার বছর ধরে মানচিত্র ব্যবহার করে আসছে তবুও বড় ধরনের এটলাস প্রকাশিত হওয়া শুরু হয় ১৫শ শতাব্দীতে। ওই সময় ইউরোপীয় ও এশীয় দেশগুলো ব্যবসা-বাণিজ্য ও বসতি স্থাপন করার জন্য বিশ্বের অজানা স্থানগুলোতে অভিযান চালায়। তাই তাদের প্রয়োজন হয়ে পড়ে মানচিত্রের। তাদের আবিষ্কারের সাথে সাথে এটলাসগুলোও পরিবর্তিত হতে থাকে।

ফ্লেমিশ মানচিত্র নির্মাতা গেরার্ডাস মার্কেটর-এর তৈরি মানচিত্রের একটি সংগ্রহ প্রকাশিত হয় ১৫৯৫ খ্রিস্টাব্দে যার শিরোনাম ছিল ‘এটলাস’। মানচিত্রের কোনো সংগ্রহে শব্দটি সেই প্রথমবারের মতো ব্যবহৃত হয়েছিল। এখানে এটলাস বলতে আফ্রিকার পৌরাণিক রাজা এটলাসকে বুঝানো হয়েছিল যিনি আকাশসংক্রান্ত গ্লোব অর্থাৎ বল আকারের মানচিত্র আবিষ্কার করেছিলেন যা নাবিকদের জন্য দিক নির্ণয়ে ছিল খুবই উপকারি।

আবার গ্রিক পুরাণে এটলাস ছিলেন অভিজাত এক টাইটান তরুণ। টাইটানরা অলিম্পিক পর্বতের দেবতাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করলে এটলাস স্বর্গে আঘাত করেন। টাইটানরা পরাজিত হলে দেবতাদের রাজা জিউস এটলাসকে তার কৃতকর্মের শাস্তিস্বরূপ সারাজীবন কাঁধের উপর স্বর্গকে বহন করার শাস্তি দেন।

এ কারণে এটলাস বললেই আমরা দেখি তিনি কাঁধে একটি পৃথিবী নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। আর পরবর্তীতে মানচিত্রের বইয়ের নামও আমাদের কাছে পরিচিত হয়ে ওঠে এটলাস নামেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles