স্থলভাগে গতির সরকারি রেকর্ড (এক মাইলেরও বেশি পরিমাপের) হলো ১,২২৭.৯৮৫ কিমি/ঘণ্টা (৭৬৩.০৩৫ মাইল/ঘণ্টা)। এই রেকর্ড গড়ে গিনেজ বুকে নাম লিখিয়েছেন ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ার ফোর্সের একজন অবসরপ্রাপ্ত ফাইটার পাইলট অ্যান্ডি গ্রিন। তিনি ১৯৯৭ সালের ১৫ অক্টোবর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদার ব্ল্যাক রক ডেজার্টে থ্রাস্ট এসএসসি চালিয়ে এই রেকর্ড গড়েন।
গাড়িটি দু’টি রোলস-রয়েস স্পে ২০২ জেট ইঞ্জিন দ্বারা চালিত যা ২২২ কেএন (৫০,০০০ পাউন্ড) থ্রাস্ট উৎপন্ন করে।
গ্রিনই একমাত্র ব্যক্তি যিনি স্থলভাগে শব্দের বাধা ভাঙতে পেরেছেন।
যদিও থ্রাস্ট এসএসসি প্রথম গাড়ি যা শব্দের বাধা ভাঙতে পেরেছে তবুও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যান ব্যারেট চালিত বুডওয়াইজার রকেট কার ১৯৭৯ সালের ১৭ ডিসেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার এডওয়ার্ড বিমান বাহিনী ঘাঁটিতে ১,১৯০.৩৭৭ কিমি/ঘণ্টা (৭৩৯.৬৬৬ মাইল/ঘণ্টা) গতিতে পৌঁছাতে পেরেছিল। তবে, মাক ১.০১০৬ এর প্রকাশিত গতি যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনী কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত হয়নি কারণ ডিজিটাল ইন্সট্রুমেন্ট রাডারটি ক্যালিব্রেট বা প্রত্যায়িত ছিল না। রাডারটির তথ্য গাড়িটি সরাসরি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়নি বরং টিভি স্ক্রিন ব্যবহার করে একটি ডিশ লক্ষ্য করে একজন অপারেটর দ্বারা রেকর্ড করা হয়েছিল।
তার স্থলভাগের গতির রেকর্ড সম্পর্কে বলতে গিয়ে গ্রিন যিনি ১৯৯৮ সালে ওবিই নিযুক্ত হয়েছিলেন বলেন, “বিশ্ব স্থল-গতির রেকর্ডটি খুবই আইকনিক কারণ এটি মোটরস্পোর্টের সবচেয়ে সহজ, প্রাচীনতম, বিশুদ্ধতম রূপ। সবচেয়ে সহজে বুঝতে হলে ব্যাপারটা হলো ইতিহাসের যেকোনো ব্যক্তির চেয়ে দ্রুতগতিতে গাড়ি চালানো।”
তিনি বলেন, “যখন আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিত পড়ছিলাম এবং বিমান চালানো শিখছিলাম তখন আমি রিচার্ড নোবেলকে থ্রাস্ট ২-তে বিশ্ব স্থলগতির রেকর্ড ভাঙার চেষ্টা করতে এবং ভাঙতে দেখছিলাম।”





